নিজস্ব প্রতিবেদক: গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে সিটি কলেজের শিক্ষক অধ্যাপক কাজি নেয়ামুল হক যে অভিযোগ করেন সেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি বলছেন ঢাকা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ নিয়োগে ৫০ লাখ টাকার ঘুষ চেয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম আমানুল্লাহ। গত ৪ জুলাই ধানমন্ডি ৮/এ বিশ্ববিদ্যালয় অফিসে ডেকে এই ঘুষ দাবি করেন উপাচার্যের পিএস আমিনুল আক্তার। এর কোন সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি।
একটি কুচক্রি মহল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম আমানুল্লাহ এবং উপাচার্যের পিএস আমিনুল আক্তার এর বিরুদ্ধে নেমে গেছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম আমানুল্লাহ সাহেব অত্যন্ত জ্ঞানি ব্যক্তি এবং শতভাগ সৎ ব্যক্তি। মাফিয়ারা তাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করতে বাধা দিচ্ছে। সম্পূর্ণ অসত্য সংবাদ “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম আমানুল্লাহ এর বিরুদ্ধে সম্পর্কে দিচ্ছে। প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এক-দুইটা ডেভিল প্রকৃতির শিক্ষক থাকে, তারাই সমগ্র প্রতিষ্ঠানকে নষ্ট করে দিচ্ছে। এদের প্রতি সোচ্ছার থাকতে হবে। সব কলেজেই এই রকম কিছু লোক আছে যারা কলেজকে লুটপাটের হাতিয়ার বানাতে চায়। এদেরকে প্রশ্রয় দেয়া কোন ক্রমেই উচিৎ হবে না। সংস্কার চলবেই, সমগ্র জাতি সংস্কারে পক্ষে আছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে এটাই আমাদের কামনা।
তবে এ কথাও সত্যি যে, সমগ্র ডিগ্রি কলেজগুলোতে স্থানীয় ব্যক্তিদেরকে নিয়ে কলেজের কমিটি দেয়া উচিৎ। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষ দেখা যায় কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এক-দুইটা ডেভিল প্রকৃতির শিক্ষক আছে তারা স্থানীয় ব্যক্তিদের বাদদিয়ে কলেজ কমিটি গঠন করতে গিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যলয়ের ভিসিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে বিতর্কের মধ্যে ফেলেদিচ্ছেন ঐ ডেভিল প্রকৃতির শিক্ষকগন। কিন্তু তিনি যে, অত্যন্ত সৎজ্জন এবং যোগ্য ব্যক্তি তাতে কোন সন্দেহ নাই। কুচক্রি মহল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম আমানুল্লাহর বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র করছে তাতে অবশ্যই তিনি বিচলিত হবেন না বলে সবাই আশা করছে। তিনি তার দায়িত্ব সঠিকভাবে চালিয়ে যাবেন এটা বাংলাদেশের মানুষ আশা করছে।