বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক এখন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। এইচ আর মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ, খিলগাঁও এর বাংলা বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মোঃ সাহিদুজ্জামান এর কুকীর্তি বর্ণনাতীত। জীব বিজ্ঞান বিষয়ের সাবেক প্রভাষক আমেনা হাবিব সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ, মানহানিকর এবং তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অসত্য বক্তব্য মোঃ সাহিদুজ্জামান প্রদান করার প্রেক্ষিতে জনাব আমেনা হাবীব চাকুরী ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এ ১৮/১২/২০১৮ ইং এ পত্র প্রেরণ করে কলেজ এর সুনাম ক্ষুন্ন ও ক্ষতিগ্রস্থ করার পায়ঁতারা করেন। অগ্রনী ব্যাংক শান্তিনগর শাখায় মোঃ সাহিদুজ্জামান পত্র দিয়ে কলেজে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ করার চেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন। মো: সাহিদুজ্জামান সাবেক সভাপতি জনাব শাহবুদ্দিন মজুমদার মহোদয়ের সাথে মোবাইলে কথোপকথন (সভাপতিকে না জানিয়ে) রেকর্ড করে রেকর্ড কৃত কথা কলেজের মাননীয় প্রতিষ্ঠাতা এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে শুনিয়ে সভাপতি ও কলেজের মানহানি ও ক্ষতি করেছিলেন- যা তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও প্রচলিত ফৌজদারী আইনে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। মো: সাইদুজ্জামানের বিভিন্ন অপরাধে প্রতিষ্ঠান কতৃক পাঁচটি শোকজ প্রদান করে, যা একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য বিড়ল ঘটনা।
তিনি অত্যন্ত জগন্য চরিত্রহীন প্রকৃতির ব্যক্তি হিসাবে পরিচিত। এমনকি তার নিজ স্ত্রী কর্তৃক মো: সাহিদুজ্জামান এর বিরুদ্ধে পরকীয়া সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ প্রদান করা হয়েছিল, প্রতিষ্ঠান বিরোধী কার্যকলাপের কারণে তাকে শোকজ প্রদান করা হয়েছিল, সাবেক প্রভাষক আমেনা হাবিব ম্যাডাম নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের কারণেও কর্তৃপক্ষ কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল, মোবাইলে কথা রেকর্ড করা সহ কলেজের অভ্যন্তরিন গেপনিয়তা প্রকাশ করার কারণে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান সহ মোট পাচটি কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল মো: সাহিদুজ্জামান বিরুদ্ধে। এ ধরনের একজন ব্যক্তি কিভাবে সনামধন্য প্রতিষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে নিযুক্ত হয় সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। যা আজ এলাকা বাসীর মুখে মুখে সমালচনা হচ্ছে। তদুপরিও তিনি কলেজের বিরুদ্ধে এবং বিভিন্ন শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে বেড়াচ্ছে। এমনকি সূত্রমতে এমনও শোনা যাচ্ছে যে, সাদাকাগজে জিম্মি করে শিক্ষকদের সাক্ষর নিতে বাধ্য করছে। কি কারণে তিনি শিক্ষদের নিকট থেকে সাদা বাগজে সাক্ষর নিচ্ছে তা সবারই অজানা। অনেকেই ধারনা করছে তিনি আবারও নোংরা কোন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে পারে। বহুবার তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের কারণে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়ার পরেও তিনি নিজেকে সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে। এর কারণ হচ্ছে ”বহুবার অপরাধ করে পারপেয়ে গিয়েছিল”। এ ধরনের অপরাধিদের অবশ্যই অপরাধের সাস্তি হওয়া উচিৎ বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।